Posts

আকাশ মহান্তী- একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সফটওয়্যার ডেভেলপার,ইনভেন্টর এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি এবং মেশিন লার্নিং এর ছাত্র।

Image
আকাশ মহান্তী  -দিল্লির গুরু গোবিন্দ সিং ইন্দ্রপ্রস্থ বিশ্ব বিদ্যালয়ের, ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ অটোমেশন অ্যান্ড রোবোটিক্স ,এর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড মেশিন লার্নিং (AI & ML ) এর দ্বিতীয় বর্ষের একজন প্রতিভাবান ছাত্র ছিল এবং ২০২১ এ ইউনিভার্সিটির  Mystery of  Code Explorer এ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিল। ২০১৬-১৭ তে আকাশ দিল্লি সরকারের জুনিয়র সায়েন্স টেলেন্ট সার্চ পরীক্ষায় ( JSTSE-Scholarship ) দিল্লির মধ্যে ৩২ তম স্থান অধিকার করেছিল। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে  হেপাটাইটিস A এর কারণে আকাশের হঠাৎ করে  লিভার ফেল হয়ে যায় এবং 11 মে, 2023-এ  দিল্লির সাকেতের ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে  মৃত্যু হয় । এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড আকাশের কম্পিউটার সায়েন্স  এবং সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর  প্রতি খুব বেশি  উৎসাহ ও আগ্রহ ছিল ।মানব কল্যাণের জন্য ওপেন সোর্স কমিউনিটি তে  যোগ দিয়ে ,মাত্র  কয়েক  বছরেই  আকাশ অনেক কিছু তৈরি  করে গেছে।  যে গুলির নাম হলো : - Waybackpy , Videohash , Redis Stream based video stream API ...

সিমলাপালের ইতিহাস এবং গড় পঞ্চকোটের রাজাদের ইতিহাস ।

Image
সিমলাপালের ইতিহাস সিমলাপাল রাজবাড়ী    সিমলাপাল:- সিমলাপাল পশ্চিমবঙ্গের  বাঁকুড়া জেলার একটি পুরনো শহর।এটি পূর্বে মহাপাত্র রাজবংশের রাজার রাজধানী ছিল। এটি  গড়  নামে পরিচিত ছিল(গড় মানে দুর্গ)। পূর্বে অনেকেই  সিমলাপাল কে বাঁকুড়ার উৎকল ব্রাহ্মণ দের রাজধানী বলতেন।  কথিত আছে,কোনো এক সময়ে,বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর এর সীমাবর্তী গ্রামগুলি থেকে শুরু করে   পুরুলিয়ার কুইলাপাল পর্যন্ত বিস্তীর্ণ মৌজা ছিল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে  সিমলাপালের মহাপাত্র রাজবংশের রাজার  অধীনে। জনসংখ্যাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এই এলাকার মানুষ খুব শ্রমসাধ্য, বুদ্ধিমান, দেশপ্রেমিক, অনুশাসিত এবং অনুগত। সিমলাপালের মধ্যে 7 টি গ্রাম পঞ্চায়েত ( বিক্রমপুর,দুবরাজপুর,লক্ষ্মীসাগর,মাচাতোড়া,মণ্ডলগ্রাম,পারসোলা ও সিমলাপাল ) এবং 191 টি গ্রাম রয়েছে । 2001 সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, সিমলাপাল ব্লকের মোট জনসংখ্যা 127,4২9 জন, যাদের মধ্যে 65,328 পুরুষ এবং 62,101 জন নারী । এই এলাকার মানুষের প্রধান পেশা কৃষি।সিমলাপালের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সঙ্গে একটা গৌরবময় অতীত আছে । সিমলাপালে...

সিমলাপাল রাজবাড়ীর চাঁচর উৎসব।

Image
সিমলাপালের পবিত্র কাহিনী:   ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও বলরামের বিগ্রহ স্থাপন  শোনা যায়, সিমলাপালের রাজা ঐশ্বরিক নির্দেশে নিজের রাজপ্রাসাদের প্রাঙ্গণে ভগবান বলরামের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দির নির্মাণের জন্য পাথর আনা হয়েছিল নিকটবর্তী জড়িষ্যা গ্রাম থেকে। কয়েক মাস পর রাজা জানতে পারেন যে ভগবান বলরাম একা অবস্থান করবেন না। সে কারণে রাজা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে আসেন এবং তাঁকে বলরামের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সময় থেকে এই মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণ ও বলরাম যুগলরূপে আরাধ্য হিসেবে পূজিত হয়ে আসছেন।    সিমলাপাল রাজবাড়ী র  চাঁচর  উৎসব। আদর্শরাজধর্মঃ রাজা ভগবানস্য দাসঃ, তস্য কার্যং প্রজানাং হিতসাধনম্। ন রাজ্ঞঃ কর্তব্যং যথাতথা প্রকারেণ সিংহাসনে আরোহণম্। ন রাজ্ঞঃ কর্তব্যং ছলেন বলেন স্বজনপোষণং স্বহিতসাধনম্। রাজ্ঞঃ কর্তব্যং স্বং ভগবদ্ভৃত্যং মন্যমানস্য  প্রজানাং পালনম্। চাঁচর উৎসব। দোলের  আগের দিন রাত্রিতে  রাধা কৃষ্ণ  কে চৌদলের উপর চাপিয়ে  কোথাও কোথাও  আবার  কৃষ্ণ  এবং বলরাম কে   চৌদলের উপর চাপিয়ে ভক্তগনের  দ্বারা নাম স...